> পিসি বাংলাদেশ~ PC BANGLADESH

রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০

ওয়াই-ফাইয়ের সর্বোচ্চ ইন্টারনেট গতি নিয়ে আসুন এক নিমেসে!!

 এক বা একাধিক ব্যক্তি মিলে যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তবে ওয়াই-ফাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। আপনার  স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপেও হটস্পট করে ব্যবহার করতে পারেন তবে সেটিও অস্থায়ী। স্থায়ী হলো আপনাকে ওয়াই-ফাই সংযোগ নিতে হবে। যদি ওয়াই-ফাইয়ের ইন্টারনেট গতি দুর্বল হয় কিংবা রাউটার ঠিকঠাক কাজ না করলে আপনারা অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে  আমি বলবো এখানে চিন্তার কিছু নেই। আপনি যদি কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করেন তবে আপনার ওয়াই-ফাইয়ের ইন্টারনেট সংযোগটি  অনেক শক্তিশালী করতে পারেন। চলুন দেখি পদ্ধতি গুলো কি কি? 

Wifi speed Boost


  •  সবসময় ভালো মানের কোন রাউটার ব্যবহার করুন। সেটি হতে পারে দুইটি বা তার অধিক অ্যান্টেনা। আপনার রাউটারটি ২.৪ গিগাহার্জ থেকে ৫ গিগাহার্জ এবং ৮০২.১১ এসি কিংবা ৮০২.১১ এন স্ট্যান্ডার্ডের কি না, তা দেখে নেওয়া উচিৎ।
  • ওয়াই-ফাই রাউটারটিকে বাড়ির এমন একটি স্থানে রাখুন, যাতে বাড়ির সব জায়গায় সহজে ইন্টারনেট সংযোগ সমানভাবে পায়।
  •  আপনি বাড়ির এমন একটি স্থানে রয়েছেন, যেখান থেকে রাউটার আপনার থেকে অনেকটাই নিচে রয়েছে। এ অবস্থায় রাউটারের ২.৪ গিগাহার্জের চ্যানেল ব্যবহার করুন।
  • দেখা যায় যে অনেক সময় যেকোনো একটি অপারেটিং সিস্টেমের ডেস্কটপ কম্পিউটারের সাথে ওয়াই-ফাই রাউটারটি ভালোভাবে সংযোগ স্থাপন করতে পারে না বা মাঝেমধ্যে ছেড়ে দেয়। সে ক্ষেত্রে পিএলআইএসটি জাতীয় ফাইলগুলো ডিলিট করলে সমাধান পাওয়া যাবে।
  •  আপনি যে্ন রাউটার ব্যবহার করছেন সেটিও কিন্তু একটি ড্রাইভার সফটওয়্যারের মাধ্যমে কার্য সম্পাদন করছে। তাই সব সময় রাউটারের ড্রাইভার সফটওয়্যার আপডেটের ব্যাপারে নজর দিন। আপডেটের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আপনার রাউটারের কম্পানির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  • কর্ডলেস ফোন,  কিংবা ব্লুটুথের জন্য অনেক সময় ওয়াই-ফাই রাউটার সঠিকভাবে কাজ  করতে পারে না।তাই সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

সবাই ভালো থাকবেন। পোষ্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

[তথ্য সূত্রঃ কালের কন্ঠ] 


See More:

1. কিভাবে সহজেই যেকোন ফোল্ডার হাইড করবেন cmd ব্যবহার করে?

2. কম্পিউটার হ্যাং হয়ে গেলে কি করবেন? জেনে নিন সমাধান। 

3. The Intelligent Investor পিডিএফ বই ডাউনলোড করুন ফ্রীতে।

Post Comment

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

কিভাবে সহজেই যেকোন ফোল্ডার হাইড করবেন cmd ব্যবহার করে?

 আমাদের পিসিতে অনেক সময় অনেক পার্সোনাল জিনিস থাকে। আমরা চাইনা এগুলো অন্যের সামনে প্রকাশ করতে । সে কারনে আমরা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি আমাদের পার্সোনাল জিনিস গুলো লক করে রাখার জন্য। যাতে করে আমার অনুমতি ছাড়া কেউ  আমার পার্সোনাল জিনিস গুলো দেখতে না পারে। আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনি কোন প্রকার সফটওয়্যার ব্যবহার না করেই যেকোন ফোল্ডার লক  বা হাইড করতে পারবেন। এ কাজটি আমরা করব CMD ব্যবহার করে । তো কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক।

 

CMD আসলে কি? কীভাবে এটি অপেন করবেন?

CMD হচ্ছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি টার্মিনাল বা কমান্ড প্রম্পট। আমরা উইন্ডোজে অপারেটিং সিস্টেমে মাউস ব্যবহার করে  যেকোন কাজ করে থাকি তা আমরা বিভিন্ন কমান্ড লিখে CMD এর মাধ্যমেও করতে পারবো। আপনারা  যারা জানেন না কিভাবে এটিতে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য কিছু ব্যাসিক কমান্ড দেখাচ্ছি। cmd ওপেন করার জন্য কি-বোর্ড থেকে windows + r চাপুন তারপর একটি পপআপ বক্স দেখতে পাবেন। সেখানে থেকে ‍সার্চ বক্সে লিখুন cmd তারপর Enter  চাপুন। তারপর নিচের মতো একটি ইন্টারফেজ দেখতে পাবেন।

cmd

 

 এই ধরনের একটি উইন্ডো দেখতে পেলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার cmd চালু হয়েছে। এখন আপনি সাধারণত কম্পিউটারে যে কাজ গুলো করে থাকেন তা এখান থেকে বিভিন্ন কমান্ড লিখে করতে পারবেন। 

 

ফোল্ডার কীভাবে  হাইড করবেন?

 cmd তে কাজ করতে হলে বিভিন্ন ধরনের কমান্ড লিখতে হয়। ফোল্ডার হাইড করার জন্যও কমান্ড লিখতে হবে। আপনি যে ফোল্ডারটি হাইড করতে চান  সেই ফোল্ডার যেখানে রয়েছে সেখনে প্রবেশ করুন। তারপর যদি ফোল্ডারটি অন্যকোন ফোল্ডারের ভিতরে থাকে তাহলে সেখানে প্রবেশ করুন। তারপর আপনি যে ফোল্ডারটি হাইড করতে চান সেই ফোল্ডারে প্রবেশ না করে  সেই ফোল্ডারের আগের ফোল্ডার পর্যন্ত প্রবেশ করবেন তারপর নিচে দেখানো কমান্ড গুলো রান করুন। attrib +h +s +r স্পেস দিয়ে আপনার ফোল্ডারের নামটি লিখুন এবং তারপর এন্টার চাপুন। তাহলে আপনি দেখবেন আপনার ফোল্ডারটি হাইড হয়ে গেছে। এখন কেউ আর আপনার ফোল্ডারটি দেখতে পাবেনা যতক্ষন পর্যন্ত না আপনি  আপনার ফোল্ডারটি আবার আনহাইড করবেন। এই সিস্টেমে যদি আপনি আপনার যেকোন হাইড করেন তাহলে কেউ কোন ভাবেই ফোল্ডারটি আনহাইড করতে পারবে না যতক্ষন পর্যন্ত সে ফোল্ডারের নামটি জানবে। এখন কথা হল কিভাবে আবার ফোল্ডারটি আনহাইড করবেন?  চলুন দেখে নিই কিভাবে ফোল্ডারটি আনহাইড করবেন। তার জন্য  আপনাকে আবার একই লোকেশনে চলে যেতে হবে যেখান থেকে আপনি ফোল্ডারটি হাইড করেছিলেন। আপনি যদি ঠিক লোকেশনে না যান তবে ফোল্ডারটির নাম জানলেও  কোন ভাবেই ফোল্ডারটি আনহাইড করতে পারবেন না। সঠিক লোকেশনে যাওয়ার পর cmd ওপেন করে টাইপ করুন attrib -h -s -r স্পেস দিয়ে ফোল্ডারটির নাম এবং তারপর এন্টার প্রেস করুন। এখন দেখবেন আপনার ফোল্ডারটি আবার আগের মতো আনহাইড হয়ে গেছে।। এই পদ্ধতিতে আপনি কোন প্রকার সফটওয়্যার ব্যবহার না করেই যেকোন ফোল্ডার হাইড ও আনহাইড করতে পারবেন।

 

আরো দেখুনঃ

 

কম্পিউটার হ্যাং হয়ে গেলে কি করবেন? জেনে নিন সমাধান।

Post Comment

রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

কম্পিউটার হ্যাং হয়ে গেলে কি করবেন? জেনে নিন সমাধান।

 অনেক মানুষই কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন। গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় এ সমস্যা বহু সবাই কম বেশি বিরক্ত হন। এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য কয়েকটি উপায় দেওয়া হলো ।

Computer Hang

 

  •  রিস্টার্ট করুন

এ পদ্ধতিটি খুবই সাধারণ একটি বিষয়। যদি কম্পিউটার  কোনো কারণে হ্যাং করে তাহলে তা রিস্টার্ট করার জন্য আপনি পাওয়ার বাটন ০৫ থেকে ১০ সেকেন্ড চেপে ধরে ছেড়ে দিন। এতে কম্পিউটার রিস্টার্ট হএ যাবে। একটা কথা মাথায় রাখবেন, এটি খুব বেশিবার করলে কম্পিউটারের ক্ষতি হতে পারে।

  • পরবর্তী প্রক্রিয়া

 যদি আপনার কম্পিউটার  ঘন ঘন ফ্রিজ বা হ্যাং হয়ে যায় তাহলে কয়েকটি কাজ করতে পারেন।  তবে বিভিন্ন রকম সমস্যা ভেদে এ কাজগুলো ভিন্ন  হতে পারে। এ কাজ গুলো হলো-


১. যদি ভালোভাবে কম্পিউটার স্টার্ট হয় তবে-

 
যদি কম্পিউটার  ঠিকমত স্টার্ট হয় তাহলে সেখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলুন। যাতে করে পরবর্তীতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলেও আপনার ফাইল হারানোর মত ঘটনা ঘটবে না।
 

২. যদি আপনার কম্পিউটার  বুট অপশন প্রদর্শন করে তবে-

 
কম্পিউটার চালু করার পর যদি বুট অপশন প্রদর্শন করে তাহলে আপনি প্রথমবার start Windows normally এই অপশন সিলেক্ট করুন। চালু করার পরও যদি তা আরও সমস্যা করতে থাকে তবে Safe Mode সিলেক্ট করুন। তারপর দ্রুত আপনার তথ্যগুলো ব্যাকআপ করে ফেলুন। এছাড়াও যদি  আপনার কম্পিউটার  আরও সমস্যা সৃষ্টি করে তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ এর দিকে যান। এক্ষেত্রে একটি মাত্র উপায় হতে পারে আর সেটি হলো  "Safe Mode with Networking"  এই অপশন সিলেক্ট করা। তারপর যদি কম্পিউটার চালাতে গিয়ে আর সমস্যা না হয় তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে সমস্যাটি হচ্ছে সফটওয়্যারের। আর তারপরও যদি কম্পিউটার  ফ্রিজ বা হ্যাং হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে  এটি হার্ডওয়্যারের সমস্যা হতে পারে।


৩. যদি কম্পিউটার চালু করার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজ বা হ্যাং হয়ে যায় তবে-

 
রিবুট করার পর কম্পিউটার যদি স্বাভাবিক মোড কিংবা সেফ মোড উভয়টিতেই ফ্রিজ হয়ে যায় তাহলে এটি সফটওয়্যার কিংবা হার্ডওয়্যার উভয় সমস্যার কারণেই হতে পারে। এক্ষেত্রে উভয় বিষয়টিই লক্ষ্য করতে হবে।


  •  কম্পিউটার সফটওয়্যার ট্রাবলশুটিং

 
 যদি আপনার কম্পিউটার  এমন কোনো সমস্যার কারণে হ্যাং করে,যে তা নির্ণয় করা যাচ্ছে না তাহলে আপনি CTRL + SHIFT + ESC বাটন একত্রে চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন। যদি আপনার উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০হয় সে ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার থেকে More details-এ যেতে হবে। তারপর আপনার কম্পিউটারের সিপিইউ, মেমোরি ও ডিস্ক ক্যাটেগরি ইত্যাদি অপশন থেকে সমস্যা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। কোনো একটি সফটওয়্যারের গ্রাফ যদি বেশি উঁচু দেখায় তবে তা নির্ণয় করুন। তারপর কম্পিউটারের  সে সফটওয়্যারটি রিমুভ করে দিন বা আপডেট করে নিন।
আপনার কম্পিউটারে থাকা চলমান বিভিন্ন হিডেন সফটওয়্যারও আপনি টাস্ক ম্যানেজারে খুঁজে পাবেন। এগুলোর মধ্যে ভাইরাসও থাকতে পারে । এ ধরনের কোনো সফটওয়্যারের অস্তিত্ব টের পেলে সাথে সাথে ভাইরাস গার্ড আপডেট করুন   এবংসম্পূর্ণ কম্পিউটার ভালোভাবে স্ক্যান করুন। যদি কম্পিউটার  সেফ মোডে ভালো চলে কিন্তু স্বাভাবিক মোডে সমস্যা করে তাহলে অটোরান থেকে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার বাদ দিয়ে দিন।
 আপনার কম্পিউটার যদি স্টার্ট করার সময় ফ্রিজ বা হ্যাং হয়ে যায় তাহলে তা উইন্ডোজের সমস্যা বলে ধরা যেতে পারে। এজন্য আপনার উইন্ডোজ আবার নতুন করে ইনস্টল করতে হতে পারে।


  • হার্ডওয়্যার সমস্যা

 
 আপনার কম্পিউটার যদি সেফ মো্ড এবং স্বাভাবিক মোড উভয় অবস্থাতেই চালু না হয় তাহলে তা হার্ড ডিস্ক, সিপিইউ,কিংবা পাওয়ার সাপ্লাই বা এ ধরনের যেকোন  যন্ত্রের সমস্যা আছে বলে ধরা যায়। এছাড়া কিছু কুছু ক্ষেত্রে তা মাদারবোর্ডের সমস্যাও হতে পারে। কিছু কিছু সফটওয়্যার পাওয়া যায় যা অনেক সময় হার্ডওয়্যারের সমস্যাও নির্ণয় করতে পারে।

যদি পোষ্টটি আপনাদের কোন উপকারে আসে বা ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন।

 

আরো দেখুন ঃ

 

Post Comment

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

আপনি মুখে যা বলবেন তাই বাংলাতে লিখা হবে (Bangla voice keyboard)

আসসালামু আলাইকুম  সবাই কেমন আছেন । আমি আপনাদেরকে বিস্তারিত জানবো কিভাবে বাংলা ভয়েজ কিবোর্ড ব্যাবহার করতে পারেন  :


 

এখন আপনি মেসেজ লিখতে পারবেন আপনার মুখের কথা তে।  আপনি শুধু মুখে বলবেন এবং সে লেখাটি মেসেজ হিসেবে পরিণত করবে।  আপনি এখন বাংলা ভয়েস কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারে কিন্তু এটি আগে বাংলাদেশে সম্ভব ছিল না কিন্তু এখন সম্ভব হয়েছে। এর জন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে  সফটওয়্যার এর লিংক নিচে অবশ্যই পেয়ে যাবেন। আপনারা অনেকেই আছেন যারা মোবাইলে কিবোর্ডে একই মেসেজ লিখতে লিখতে বিরক্ত হয়ে গেছেন তাদের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।

যা প্রয়োজন হবে:

এখান থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন

আপনাকে যা করতে হবে

  • উপরের সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন এবং ওপেন করুন ব্যাস আপনার কাজ শেষ।

পোষ্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন ।


আরো দেখুনঃ   

>প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি - যারা প্রাইমারিতে আবেদন করবেন বা করেছেন তাদের জন্য।

প্রফেসর’স প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সহায়িকা 2020 – Professor Primary Guide ডাউনলোড করুন

 

Post Comment

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি - যারা প্রাইমারিতে আবেদন করবেন বা করেছেন তাদের জন্য।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতিঃ-


 

  • মোট নম্বর ১০০।
  • লিখিত ৮০ এবং মৌখিক ২০ নম্বর।
  • লিখিত ৮০ নম্বর এর মধ্যে
  • বাংলা -২০ নম্বর
  • ইংরেজি -২০ নম্বর
  • গনিত -২০ নম্বর এবং
  • সাধারন জ্ঞান ও বিজ্ঞান -২০ নম্বর
মৌখিক পরীক্ষার জন্য ২০ নম্বর এর মধ্যে
  • উপস্থিতি- ৫  নম্বর
  • স্মার্টনেস – ৫  নম্বর
  • এস এস সি ও এইচ এস সির ফলাফলের উপর – ৫ নম্বর এবং
  • প্রশ্নের উত্তর – ৫ নম্বর

বাংলার জন্য

  ৫ম হতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা ব্যাকরণ সাথে বিখ্যাত কবি সাহিত্যকদের জীবনী।

ইংরেজির জন্য ইংরেজি ব্যাকরণের
Article, parts of speech, gender , number, tens, voice , spelling , synonym, antonym, and some of English literatures.


গনিতের জন্য
৫ম হতে ১০ম শ্রেণীর গনিত। এবং বিজ্ঞান ও সাধারন জ্ঞানের জন্য ৫ম হতে ৮ম শ্রেণীর  বিজ্ঞান বই যথেষ্ট।

কিছু গাইড বই এর  পরামর্শঃ
বাজারে প্রচলিত গাইডের মধ্যে প্রফেসরস অথবা ওরাকল এর ” প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড ২০২১
জব সলুশন,এম পি থ্রির একসেট ইত্যাদি নিতে পারেন। আর এই ধরনের সব পিডিএফ  বই ফ্রীতে ডাউনলোড করতে পারবেন এই ওয়েব সাইড থেকে www.pdfstall.com

 

পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়ঃ দেশে কোন ধরনের বড় সমস্যা নাহলে আগামি বছর তথা ২০২১ এর মাঝামাঝি হতে পারে। 

 

Post Comment