> পিসি বাংলাদেশ~ PC BANGLADESH

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

যেভাবে স্মার্ট ফোনে কন্টাক্ট ব্যাকআপ করবেন, জীবনেও হারাবে না । Backup Your Phone Contact

যেভাবে স্মার্ট ফোনে কন্টাক্ট ব্যাকআপ করবেন, জীবনেও হারাবে না । Backup Your Phone Contact:

এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে আপনি যদি বলেন,আমার এন্ড্রয়েডের সাথে কন্টাক্ট লিস্ট ও হারাই গেসে, দোস্ত নাম্বার দে ” এটা বলা মানে এটা খুব দুঃখজনক বিষয়।

আজকে আমরা শিখবো কিভাবে স্মার্ট ফোনে কন্টাক্ট ব্যাক আপ করে রাখা যায় এবং হারিয়ে গেলে যাতে সহজে রিকভার করা যায়।

Backup



আপনারা যারা এন্ড্রয়েড ইউজ করেন তাদের সবারই অবশ্যই Gmail একাউন্ট আছে। আপনার এই Gmail একাউন্টেই আপনি আপনার ফোনের সব কন্টাক্ট Sync (Synchronization) করে রাখতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে আপনার ফোনের সব কন্টাক্ট গুগলের অনলাইন সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে, আপনার ফোন চুরি হয়ে গেলেও চোর তো আর অনলাইন সার্ভার চুরি করতে পারবে না ।

এবার আসি কিভাবে করবেন?

আমাদের সবারই সিমে অনেক নাম্বার সেভ থাকে, এগুলো আগে Gmail একাউন্টে আনতে হবে। People বা Contact অ্যাপ এ ঢুকেন তারপর মেনু থেকে “Import/Export”


তারপর আপনার যে সিম থেকে কপি করবেন সেটা সিলেক্ট করুন  (ছবির মত)
Next এ ক্লিক করুন।


তারপর আপনার Gmail আইডি সিলেক্ট করুন  (যেটাতে কপি করবেন)
যে কন্টাক্টগুলো কপি করতে চান সিলেক্ট করে নিন / সব কন্টাক্ট সিলেক্ট করতে চাইলে  0 Selected  এ প্রেস করুন, অপশন চলে আসবে।
কপি শেষ হলে নোটিফিকেশন দেখাবে কয়টা কপি হল।

সফল ভাবে এগুলা সার্ভার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে কিনা তা জানতে হলে
Settings > Account > Google > @gmail.com তে যান।


Contacts  এর পাশে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন, যদি দেওয়া থাকে তবে তুলে দিয়ে আবার টিক চিহ্ন দিন! 
এর পর আপনার ফোনে কন্টাক্ট Sync হওয়া শুরু হয়ে যাবে। প্রথম বার Sync হতে একটু টাইম নিবে, অবশেষে  Last Sync at লিখা  দেখাবে, তার মানে হয়ে গেছে।
যদি Sync ঠিক মত না হয় তবে Error দেখাবে।

এর পর  নতুন কোন নাম্বার সেইভ করার সময় আপনি ‘Store the contact to ‘ এর জায়গায় জিমেইল আইডিতে করবেন।তাইলে নিজে নিজেই Sync করে নিবে।



কিছু সাবধানতাঃ
• Gmail এর পাসওয়ার্ড অবশ্যই মনে রাখবেন বা কোথাও লিখে রাখবেন।

•Sync এর পর People এ গিয়ে যদি আপনি কোন Contact ডিলিট করে দেন,তাইলে সেটা কিন্তু গুগল সার্ভার থেকেও ডিলিট হয়ে যাবে। তাই এই ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।

• আপনার ফোনে একই নাম্বার দুইবার দেখাতে পারে। এটা থেকে বাঁচতে
People > Contact To Display > তারপর আপনার জিমেইল আইডি সিলেক্ট করে দিন।

আপনার কাজ শেষ । বুঝতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে কমেন্টে জানাতে পারেন।



Post Comment

শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

স্মার্ট ফোনে যে 24 টি অ্যাপ থাকা মানেই আপনার সর্বনাশ

আপনারা যাঁরা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের প্লেস্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোডের সময় অনেক সতর্ক থাকতে হবে।কারন এখন অনেক জনপ্রিয় অ্যাপের ছদ্মবেশে আপনার স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম  ঢুকে সর্বনাশ ঘটাতে পারে।আপনার স্মার্টফোনে এসব প্রোগ্রাম চালু থাকলে গোপনে ফোনের সব কার্যকলাপের তথ্য পাচার করে দেয়।
24 টি অ্যাপ
গোয়েন্দাগিরির শিকার হয়ে যেতে পারেন আপনিও । তাই সাইবার ক্রাইম ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা  গুগলের প্লেস্টোরে থেকে ডাউনলোড করা কয়েকটি অ্যাপ দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন।

ভিপিএন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিপিএন প্রো এর পক্ষ থেকে 24 টি বিপজ্জনক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। এই সকল অ্যাপ ইতিমধ্যে ৩৮ কোটি ২০ লাখ বার ডাউনলোড হয়ে গেছে। মোবাইল ফোন থেকে গোপনে তথ্য সরানোর অভিযোগে গুগল মামা ইতিমধ্যে এসব অ্যাপ সরিয়ে দিয়েছে। তবে আপনার স্মার্টফোন এসব অ্যাপ থাকা মানেই যেকোন বিপদ ঘটতে পারে। এসব অ্যাপের মধ্যে রয়েছে ক্যামেরা ও ব্যাটারির  বিষয়ক অ্যাপ , প্রয়োজনীয় তথ্য ও ছবি বা ভিডিও ধারণ করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ।

বিপজ্জনক 24  টি অ্যাপের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

  1.  ওয়ার্ল্ড জু, ওয়ার্ড ক্রাশ,
  2.  ওয়ার্ড ক্রসি, 
  3. ওয়েদার ফোরকাস্ট, 
  4. ভাইরাস ক্লিনার ২০১৯, 
  5. টার্বো পাওয়ার, 
  6. সুপার ক্লিনার,
  7.  সুপার ব্যাটারি, 
  8. সাউন্ড রেকর্ডার, 
  9. সকার পিনবল, 
  10. পাজল বক্স, 
  11. প্রাইভেট ব্রাউজার, 
  12. নেট মাস্টার, 
  13. মিউজিক রোম, 
  14. লেজার ব্রেকার, 
  15. জয় লঞ্চার, 
  16. হাই ভিপিএন, 
  17. ফ্রি ভিপিএন, 
  18. হাই ভিপিএন প্রো, 
  19. হাই সিকিউরিটিজ ২০১৯, 
  20. ফাইল ম্যানেজার, 
  21. ডিগ ইট, 
  22. ক্যান্ডি সেলফি ক্যামেরা, 
  23. ক্যান্ডি গ্যালারি, 
  24. ক্যালেন্ডার লাইট।  
 
তথ্যসূত্র: প্রথম-আলো


উপরের অ্যাপগুলোর মধ্যে যদি আপনার ফোনে কোনটি থাকে তবে এক্ষনি তা রিমুভ করে দিন, তা না হলে ঘটতে পারে বড় সর্বনাস।
পোষ্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।

আরো দেখুনঃ

Post Comment

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায় যেভাবে | Start Freelancing

Start Freelancing : আপনারা যারা ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানেন কিন্ত কীভাবে শুরু করবেন বা কীভাবে কী করবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন তাদের জন্য এই পোষ্ট। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হলে যেসব যোগ্যতা থাকা একান্ত প্রয়োজন, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো:
Freelancing


  • ক্লায়েন্টের বা বায়ারের সাথে যোগাযোগের দক্ষতা, বিশেষ করে ইংরেজিতে ভালো লিখতে জানতে হবে।
  • কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
  • গুগল ও ইউটিউবের ব্যবহার জানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য বের করে আনার দক্ষতা থাকতে হবে।
পরবর্তীতে যে প্রশ্ন মনে আসে তা হলো, কীভাবে শিখবেন?  এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, আপাতত আপনাকে কোথাও যেতে হবে না। গুগল আর ইউটিউব হতে পারে আপনার তাৎক্ষণিক শিক্ষক । আপনার যে বিষয়টি ভালো লাগে, সে বিষয়ের ওপর ভিডিও দেখুন, গুগল করুন, বিস্তারিত জানুন। এরপরও যদি  কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে আপনার পরিচিত বা আশপাশে যাঁরা ফ্রিল্যান্সিং করে বা এই বিষয়ে অভিজ্ঞ, তাঁদের জিজ্ঞেস করুন। তবে মনে রাখবেন, কাজ পাওয়ার আগে সে বিষয়ে আপনাকে ভালোভাবে শিখতে হবে জানতে হবে। আপনি যদি কাজ না শিখেই কাজ পাওয়ার আশা করেন, তবে হবে আপনার চরম ভুল।

ফ্রিল্যান্সিং আসলে কী? ফ্রিল্যান্সিং কত বছর বয়স থেকে শুরু করা যায়? কী ধরনের দক্ষতা দরকার?

Start Freelancing
সহজভাবে বলতে গেলে , অনলাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুক্ত পেশাজীবী হিসেবে কোনো কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে থাকে। চেম্বারে বসে চিকিৎসক বা একজন আইনজীবী যেভাবে যেভাবে নিজের ক্যারিয়ার পরিচালনা করেন, সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা যেভাবে নিজের সময় এবং পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কাজ করে, একইভাবে কোনো পেশায় কেউ যখন নিজের মতো করে ক্যারিয়ার পরিচালনা করেন, সেটাই হলো মূলত ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রকৃত পক্ষে বয়সের ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। এখানে মূলত আপনার দক্ষতাই হলো সব কিছু। দক্ষতা থাকলে আপনার শিক্ষাজীবনের সনদ কোন মূল্য নেই এখনে।

Start Freelancing
অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার থাকতে হবে বিশেষ কোনো কাজের দক্ষতা। সেটা হতে পারে কনটেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্মার্টফোনের অ্যাপ তৈরি কিংবা এমন অসংখ্য কাজের মধ্যে কোনোটা, যেটাতে আপনি নিজেকে দক্ষ মনে করেন। মনে রাখা ভালো, যে আপনি কোনো কাজে দক্ষ না হলে প্রথমে কোনোভাবে কাজ পেয়ে গেলেও বেশি দিন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে টিকে থাকতে পারবেন না। এখানে আপনার দক্ষতাই হচ্ছে সব কিছু।

আরো দেখুনঃ

Post Comment

বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

এন্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর গোপন ট্রিকস । Hidden Tips

Hidden Tips : আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি পাচ্ছেন বিভিন্ন ধরণের সব সুবিধা। ইন্টারনের মাধ্যমে আপনি সহজেই পাচ্ছেন নানা ধরণের খবর, বিভিন্ন অ্যাপস, নানা ধরনের গেমস ইত্যাদি । কিন্তু   ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়াটা, খুব বিরক্তিকর বিষয়।

internet speed


এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য  আজ আপনাদের দিলাম কিছু গোপন ট্রিকস যার মাধ্যমে আপনার এন্ড্রয়েডের ইন্টারনেট স্পিড খুব সহজেই বাড়িয়ে নিতে পারবেনঃ
Hidden Tips


  •  ক্যাশ মেমোরি ক্লিয়ার করুনঃ 

যখন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের ক্যাশ মেমোরি ফুল হয়ে যায়, তখন মোবাইল এমনিতেই স্লো হয়ে যায়। ইন্টারনেটও  দ্রুততার সাথে কাজ করে না। তাই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে হলে এন্ড্রয়েড ফোনের ক্যাশ মেমোরি খালি করুন।


Hidden Tips
  • অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস রিমুভ করুনঃ
এমন কিছু কিছু অ্যাপস রয়েছে যা আমাদের তেমন কোন প্রয়োজনই হয় না কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের এন্ড্রয়েড ফোনে ইন্সটল করে রেখে দেই। যার ফলে ইন্টারনেটের স্পিড অনেক স্লো হয়ে পরে। এই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো রিমুভ করুন।




  • ইন্টারনেট স্পিড অ্যাপ ব্যবহার করুনঃ 

গুগল প্লেস্টোরে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য নানা ধরণের অ্যাপ আছে। এর মধ্যে রিভিউ দেখে ভাল একটি অ্যাপ ইন্সটল করুন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ।
Hidden Tips




  •  সর্বোচ্চ লোডিং ডাটা অপশনটি পরিবর্তন করুনঃ 

এন্ড্রয়েড মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে চাইলে আপনি সর্বোচ্চ লোডিং ডাটা অপশনটি পরিবর্তন করে নিন। এটি করার জন্য আপনাকে ওয়্যারলেস মোডে যেতে হবে এবং তারপর নেটওয়ার্ক সেটিংসে গিয়ে ডাটা ট্রান্সফারের পরিবর্তে জিপিআরএস অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে। এর ফলে এন্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনেট স্পিড বৃদ্ধি পাবে।



উপরের সবগুলো নিয়ম যদি আপনি অনুসরণ করতে পারেন। আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড বেড়ে যাবে আগের থেকে বহুগুণে।
Hidden Tips

পোষ্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

আরো দেখুনঃ

  1. এন্ড্রয়েড মোবাইল ফ্ল্যাশ করুন খুব সহজে।
  2. ইউএসবি ড্রাইভ দিয়ে সহজে উইন্ডোজ 10 সেটাপ দেওয়া শিখুন ।
  3. দারুন একটি স্মার্ট ফোন হুয়াওয়ে পি৪০ লাইট!!
  4. এন্ড্রয়েড মোবাইলের RAM বাড়ানোর গোপন টিপস। 


Post Comment

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

পিসির BIOS আপডেট করুন খুব সহজে

পিসির BIOS আপডেট করুন খুব সহজে 


আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন । আজকে  আপনাদের বলবো মাদারবোর্ডের বায়োস কিভাবে আপডেট করতে হয় । অনেক ব্যান্ড এর মাদারবোর্ড রয়েছে তাই আজকে শুধু ইন্টেল মাদারবোর্ড নিয়ে শুরু করলাম।আর একেক মাদারবোর্ড ব্র্র্যান্ড এর বায়োস আপডেট একেক রকম তাই সবগুলো একসাথে আলোচনা করা সম্ভব না। চলুন আগে জেনে নেই বায়োস আসলে কি?

Bios Update

বায়োস হল এক ধরণের সফটওয়্যার যা মাদারবোর্ডের মধ্যে পূর্বে থেকেই সেটআপ করা থাকে। পিসির পাওয়ার অন করা থেকে শুরু করে  ওপারেটিং সিস্টেম ওপেন বা লোডিং এর পূর্ব পর্যন্ত যেটুকু দৃশ্যমান থাকে তাকে সাধারণত বায়োস বলা হয়।BIOS এর পূর্ন নাম হলো Basic Input Output System.পিসির হার্ডওয়্যার গুলোকে বায়োস সনাক্ত করতে সাহায্য করে। যেমনঃ ডিভিডি রম, হার্ড ডিস্ক, ভিডিও ডিসপ্লে কার্ড, অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ, কিবোর্ড, মাউস ইত্যাদি। বায়োস সফটওয়্যার সাধারণত মাদারবোর্ডের Non-volatile ROM chip এর ভিতর থাকে। আমরা অনেক সময় দেখি যে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোন সমস্যার কারনে বুট নিচ্ছে না। তখন Error জনিত যে ওয়ানিং গুলো পাওয়া যায় তা হচ্ছে বায়োস এর প্রদত্ত তথ্য। এছাড়াও অন্যান্য যত Error প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা যায় তা মূলত বায়োস এর দেয়া তথ্য।

আপনি অবশ্যই বুঝতে পারছেন বায়োস কতটা  গুরুত্বপূর্ন বিষয়। বায়োস এ যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে তা আপডেট করলে সমাধান হয়ে যায়। কারন  বায়োস আপডেট করলে নতুন নতুন অনেক ফিচার যুক্ত করা হয়ে থাকে।  চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আপডেট এর কাজ শুরু করা যাক।


আপনার বর্তমান BIOS Version কত আছে তা জানতে হলে Power অন করার পর Intel Scene আসলে F2 কী চাপুন। এখন জেনে নিতে পারেন আপনার BIOS Version কত এবং তা নোট করে রাখুন।


তারপর আপনাকে জানতে হবে আপনার Motherboard এর মডেল।আপনার যদি Motherboard এর বক্স বা ক্যাটালগ না থাকে, Motherboard Model যদি খুজে পান তাহলে চিন্তার কিছু নেই । পিসি অন করুন। চালু হলে কীবোর্ডের উইন্ডোজ বাটন ধরে রেখে R চাপুন।

একটি কাগজে কলম দিয়ে বড় অক্ষরে Motherboard Model লিখে ফেলুন।

নিচে ইন্টেলের সব মডেল দেওয়া আছে, আপনার টার মডেল মিলিয়ে দেখুন ঠিক আছে কিনা।
নিচের লিংকে ভিসিট করুন

http://downloadcenter.intel.com/



  •  Motherboard Model দিয়ে Search করুন।


  •  আপনি যে Operating System ব্যবহার করেন সেটা Select করুন।(অবশ্যয়ই উইন্ডোজ হতে হবে)।


  • Bios Select করুন।


  •  একেবারে প্রথম উপরের নতুন বায়োস আপডেট ফাইলটি Select করুন।


এখানে ফাইল থেকে .exe বায়োস ফাইলটি সিলেক্ট করুন। বাকি ফাইল যেগুলো দেখাবে ওগুলো উইন্ডোজের জন্য যথাযথ নয় মানে বাকি ফাইলগুলোর আপনার দরকার নেই। সবুজ ঘরে থাকবে আপনার Motherboard এর মডেলের নাম আর বাকি অংশে থাকবে বায়োস ভার্সন। এখন মিলিয়ে দেখুন আপনার নোট করে রাখা  বায়োস ভার্শনের সাথে নতুন ভার্সন আলাদা কিনা। হলে Download এ ক্লিক করুন।


Download সম্পন্ন হয়ে গেলে বায়োস ফাইলটি C: Drive এর Temp ফোল্ডারে রাখুন।


এখন Install করার পর Restart নিবে।   প্রথম যেভাবে  Bios Version চেক করেছিলেন সেভাবে চেক করেন।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ। আপনার বায়োসটি আপনি সঠিক ভাবে আপডেট করতে পেরেছেন। যদি আপডেট করতে কোন সমস্যায় পরেন তবে কমেন্টে জানাবেন, আমি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।

আরো দেখুনঃ

  1. এন্ড্রয়েড মোবাইল ফ্ল্যাশ করুন খুব সহজে । FLASH YOUR ANDROID DEVICE
  2. ইউএসবি ড্রাইভ দিয়ে সহজে উইন্ডোজ 10 সেটাপ দেওয়া শিখুন ।
  3. ডার্ক ওয়েবে কিভাবে অ্যাক্সেস করবেন?? VIDEO LINK










Post Comment